অগ্নি (মুভি রিভিউ)

যেহেতু ভ্যালেন্টাইনস ডে, তাই শঙ্কা ছিল সিনেমা হলে অধিকাংশই জোড়ায় জোড়ায় থাকবে । তাই বন্ধুকে বোরকা পরিয়ে হলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। বন্ধুকে এই..

এরশাদোলজি (রম্য)

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, নারীদরদীয়া প্রেমিক পুরুষ আলহাজ হোমিওপ্যাথিক এরশাদ ওরফে পল্টিবাদি লাফাইন্যায়ে ডিগবাজীকে নিয়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আজকের আলোচনা অজ্ঞানে বিজ্ঞানে সজ্ঞানী এরশাদ।

ফেসবুকে প্র্তারনার হাত থেকে সতর্কতা

আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে।

ইশি (ছোটগল্প)

বিল্ডিং গুলোর ছুটে চলা খুব উপভোগ করছে ইশি। কিন্তু একটু পরেই বিল্ডিং গুলো দৌড় থামিয়ে দিল। এই জ্যাম একদম ভাললাগেনা ইশির। সবকিছু কে থামিয়ে দেয়। তবে পথের নোংড়া ছেলেমেয়ে গুলো জ্যাম কে খুব ভালবাসে।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তর

প্রশ্নঃ দেশে জনসংখ্যা কমানোর জন্য কি কি করা যায়? উত্তরঃ বিবাহ করা থেকে নারী পুরুষ কে বিরত থাকার জন্য উদবুদ্ধ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর বিছানা আলাদা করা যায়। বিছানা এক হলেই মহামারী দেখা দেবে এমন আতঙ্ক ছড়ানো যায়

ফেসবুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফেসবুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৪

গণিতবিদ বয়ফ্রেন্ড

গার্লফ্রেন্ড যখন গণিত বোঝে…
মেয়ে: জান তুমি আমাকে কতটুকু ভালোবাসো?
ছেলে: সামথিং বাই জিরো।
মেয়ে: ওয়াও!! সো সুইট :-*

গার্লফ্রেন্ড যখন গণিত বোঝেনা…
মেয়ে: জান তুমি আমাকে কতটুকু ভালোবাসো?
ছেলে: সামথিং বাই জিরো
মেয়ে: কি??? >_< তুই আমার সাথে আর কথা বলবি না >_<

সোমবার, ২১ জুলাই, ২০১৪

ইহা একটি ফেসবুক সম্মত বাস্তব কাহিনী

বালিকা বলিল, "আমি যাচ্ছি, আমার কিডনীর অপারেশন আছে।"
আমি তো অস্থির হয়ে গেলাম চিন্তায়। একটু পর জানতে পারলাম তাকে দুটো কিডনী লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। আরিব্বা! এতো দেখছি খেলনা মোবাইলে ব্যাটারী লাগানোর মত দ্রুত হয়ে গেলো। আমি মেডিক্যাল সায়েন্সের উন্নতিতে চমকিত হইলাম। কিন্তু বিধিবাম। একটুপর জানিতে পারিলাম কিডনীদ্বয় কাজ করছে না। এখন কি হবে? ডাক্তার সাথে সাথে বালিকার পিতা এবং স্বামীর কিডনী খুলে বালিকাকে লাগিয়ে দিলো। বালিকা এখন দুই কিডনীর অধিকারী। তার পিতা এবং স্বামীর এই মহান কাজ সবার জন্য নিদর্শন হয়ে থাকলো। কারন তারা সাথে সাথেই কিডনী খুলে দিয়ে দিয়েছেন। এবার বালিকা কোমায় চলে গেলো। আমি তো অস্থির হইয়া গেলাম। যার মারফত বালিকার খোজ জানতেছিলাম সে প্রতিবারই বালিকার কোনো না কোনো প্রশংসা করছিল। আমার হৃদয়টা ভরে গেলো। অবশ্য তাকে আমার অনুভূতিহীন রোবট মনে হয়েছে, কোমায় থাকা রোগীর জন্য তার আবেগ যথেষ্ঠ ছিল না। একটু পর বালিকা কোমা থেকে বেরিয়ে এলো। আরেব্বাহ! মেডিক্যাল সায়েন্সে কোমা দেখি এখন টয়লেটে যাওয়ার মত! আমি বালিকার উপর যতটা না ফিদা ছিলাম, তার চেয়ে বেশি ফিদা হলাম মেডিক্যাল সায়েন্সের উপর। একটু পর জানিতে পারিলাম বালিকা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছে। ওয়াও! অসুস্থ হওয়া এখন দেখি দু:স্বপ্নের মত। আমি তো আনন্দে আটখানা হয়ে গেলাম। আমার এই গুরুচন্ডালী লেখার নেপথ্যে রহিয়াছে এই বাধ ভাঙ্গা আনন্দ।
যাই, বালিকার নতুন লেখাগুলো শেয়ার দিতে হবে।  অবশ্যই ক্যাপশন থাকবে, "মৃত্যুমুখ থেকে লড়াই করে ফিরলো লৌহদন্ড বালিকা"

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

সমকাল না সমকামী ? >_<

রুম্মান রশীদ খান কে চিনি ২০১২ সাল থেকে। তখন তিনি পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন। সেই সময় ঢালিউড সংশ্লিষ্ট গ্রুপে বেশি ঘোরাঘুরি করতাম। তো একদিন পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী গ্রুপে গানের শুটিং এর চিত্রায়ন নিয়ে কথা হচ্ছিল। আমি ফান করেই বলেছিলাম, “যেহেতু মালয়েশিয়ায়
শুটিং হচ্ছে তো আপনারা সেখানকার কোনো স্টেডিয়ামে গানের দৃশ্য ধারনের চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যদি মালয়েশিয়ায় সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের স্টেডিয়াম গুলোও ব্যবহার করতে পারেন। দর্শক ভিন্ন কিছু পাবে” কিন্তু সেদিন
শাকিব খানের কিছু কানা চ্যালা এবং রুম্মান রশীদ খান আমার এই মন্তব্যে কেন যেন ক্ষিপ্ত হয়ে যান। সেদিন কিছুটা কথা কাটাকাটি হয়। আমার স্বভাব অনুযায়ী ফানি কমেন্ট করে তাদের সাথে তর্ক করছিলাম যেহেতু আমি শাকিব হেটার ছিলাম। আব্দুল্লাহ জুবায়ের ভাইও আমার সাথেই ছিলেন। এক পর্যায়ে আমাকে গ্রুপ থেকে ব্যান করা হয়। সেই থেকে রুম্মান রশীদ খান কে আমার ভালো লাগেনা। তো আসল কথা হলো গতকাল সমকাল পত্রিকায় দেখলাম “গুন্ডের জয়জয়কার” না কি যেন একটা লেখা। সেটা লিখেছেন রুম্মান রশীদ খান। যখন
দেশের অনলাইন জগত গুন্ডের বিরুদ্ধে ক্ষীপ্ত ঠিক তখনই তিনি গুন্ডের জয়জয়কার শিরোনামে গুন্ডের সুনাম করলেন। তিনি অন্ধ হয়ে এটা করলেন নাকি সমকালের সমকামীতার ছোয়ায় তার চোখে মুক্তিযুদ্ধ কে হেয় করার অংশটুকু চোখে ধরেনি বুঝলাম না। যেখানে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস কে বিকৃত
করা হয়েছে সেখানে উনি কি করে গুন্ডের সুনাম করেন!!!? দুদিন আগেই ফারনাজ আলম এই সমকালেই একুশে ফেব্রুয়ারি কে তামাশা করে সাজসজ্জার
টিপস দিলেন। ফারনাজ আলম এর আগেও উল্টাপাল্টা টিপস দিয়েছেন। হনুমানের মুখাবয়বের মত সাজলে কিভাবে শোক প্রকাশ করা হয় তা স্বয়ং হনুমানও বুঝতে চাইবে না। আচ্ছা সমস্যা টা কি সমকালের না সমকালই সমস্যা যুক্তদের নিয়ে কাজ করে বুঝলাম না। এই একটা পত্রিকাই উল্টাপাল্টা কাজকারবার করে মাথা গরম করে দেয়। এইটার নাম সমকামী কেন নয় তা সত্যিই চরম রহস্য ।

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অমর হোক

পিসিতে বিজয় দিয়ে বাংলা লিখতাম। যখন ফেসবুকে এলাম তখন বাংলায় লেখার
কথা মাথাতেও ছিল না। তবুও মাঝে মাঝে বিজয় দিয়ে বাংলায় স্ট্যাটাস দেয়ার চেষ্টা করতাম। বাংলায় স্ট্যাটাস দেয়া যেত না বলে বিজয়, মজিলা আর ফেসবুকের মুন্ডুপাত করতাম। তখনও অভ্রের নাম শুনিনি। পরে একটা বাংলা লেখা যায় এমন ফোন পেয়ে গেলাম। কিন্তু সেটাতে ৫১২অক্ষরের বেশি লেখা যেত
না। পরে অবশ্য অভ্রের খোজ পেয়ে মন মত পিসি দিয়ে বাংলা লেখা শুরু করি।
ফেসবুকে প্রথম থেকেই বেশকিছু ফ্রেন্ড পাই যাদের সাথে বেশ ভালো সম্পর্ক
ছিল। কিন্তু তাদের সাথে সম্পর্ক টেকেনি শুধুমাত্র আমার বাংলা প্রীতির কারনে। তারা আমার বাংলা প্রীতিতে যারপরনাই বিরক্ত ছিল। অনেক সময় তিরষ্কারও করতো। বন্ধুত্বের খাতিরে প্রথমে সব মেনে নিলেও পরে আর পারিনি। তাদেরকেও
মাঝে মাঝে বাংলা নিয়ে জ্ঞান দিতাম তাদের অন্য ভাষার প্রতি বেশি দরদের কারনে। তারা আমার ব্লকলিস্টে আছে। হ্যা বাংলার প্রতি ভালোবাসার কারনে আমি যেকোনো কিছু করতে রাজি। অতিমাত্রায় বাংলা প্রীতির কারনে ইংরেজী পরীক্ষাতেও বাংলা লেখার অভিজ্ঞতা আছে। জানিনা এর মাঝে কি আছে। শুধু এটুকু জানি এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা ভাষা। আচ্ছা সেরা ভাষার বীরদের শুধু
শ্রদ্ধা জানালেই হবে? আমরাই নেই না ভাষা টাকে ভালোবেসে নিজের মাঝে গেঁথে। বাংলায় কথা তো বলি সবাই। আজ থেকে নাহয় আরেকটু বেশি ভালোবাসি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অমর হোক। বাংলার মাহাত্ম্য ছড়িয়ে যাক পৃথিবীর প্রতিটি কোনায়।

রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

এস এস সি'র প্রশ্ন যখন ফেসবুকে পাওয়া যায় (রম্য)

নিউজফীডে স্ট্যাটাস আকারে এস এস সি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখলাম। অনেকেই আবার স্ট্যাটাস দিচ্ছেন "কারো কাছে এস এস সি পরীক্ষার  প্রশ্ন থাকলে ইনবক্স করেন"। এ সম্পর্কিত পেজও তৈরী হয়ে গেছে  দেখলাম। বিষয়টা এমন দাড়িয়েছে-
*এস এস সি পরীক্ষার প্রশ্ন এখন ফেসবুকে।
*পরীক্ষায় ভালো করতে চাও? এখনই টেক্সটবুক ছেড়ে ফেসবুকে চোখ বোলাও।
*অবশেষে প্রমানিত হলো ফেসবুকই পরীক্ষায় কমন পাওয়ার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বুক।
*আমার কাছে এস এস সি পরীক্ষার প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন পেতে চাইলে এড মি প্লিজ। (এড মি পাগলাদের এড মি শিল্পে নতুন সংযোজন)
*সুখবর সুখবর সুখবর!
সাধারণ গণিতের এক্সক্লুসিভ প্র্ন।
১ নং প্রশ্ন ……Continue reading (পেজ প্রোমোটার রা এই পন্থা অবলম্বন করতে পারেন)
*বাংলা প্রথম পত্রের জন্য যেই প্রশ্ন দিয়েছিলাম তা শতভাগ কমন এসেছে। পরবর্তি প্রশ্ন পেতে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন (লাইক খোর এডমিন)
*এক হিন্দু চ্যালেঞ্জ করেছে আমি নাকি ইসলাম শিক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে ১০০০০ লাইক পাবোনা। আপনারা লাইক দিয়ে নিজে উপকৃত হোন পাশাপাশি হিন্দুটাকে হারিয়ে দিন (ধর্ম ব্যবসায়ী এডমিন)
*নিচে ৫জন এক্টিভ প্রশ্ন ফাঁস কারীর আইডি দেয়া হলো। দয়া করে সবাই তাদের এড করে নিন । (আইডি প্রোমোট স্টাইল)
*স্ট্যাটাস: এফ দিয়ে একটি বাক্য লিখুন তো?
সিলেটি ব্যক্তির কমেন্ট: ফেসবুকে ফ্রতিটা ফরীক্ষার ফ্রশ্ন ফাঁস হয়।
*টাক্লা: karo kaca hagar bacar dare uponnus ar kono prosni aca? amaka akgon pad da nodir magir pacha pacha prosno deaca. Ai rokom bondami ame muteo lick korina. gay amaka ai pacha pacha prosno diaca tar dick a agun borshon huk. Tar pussy cae.
*আপনি কি পরীক্ষা নিয়ে চিন্তিত? দুষ্টামি ফাইজলামি ফাতরামি করে টাইম নষ্ট করেছেন? এখন পরীক্ষার সময় চোখে গ্যান্দা ফুল #দেখছেন? তাহলে আপনি আমাদেরই খুজছেন। আর নয় লেকচার পাঞ্জেরী,
আর নয় দেরী।
ফেসবুকে একাউন্ট খোলো তাড়াতাড়ি। ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন পরীক্ষার এক্সক্লুসিভ প্রশ্ন। বিফলে মূলো ফেরত।
প্রশ্ন ফাঁস করে পরীক্ষার্থীদের সামনে মূলো ঝুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে করে দুইটা জিনিস হবে।
১/যারা আসলেই ভালো ফলাফলের যোগ্য, তাদের ভালো ফলাফল টাকে অনেকেই ভালোভাবে মূল্যায়ন করবে না। প্রশ্ন ফাঁসের উপর অনেকে ক্রেডিট দেবে।
২/যারা ভালো ফলাফলের যোগ্য নয়, কিন্তু প্রশ্ন পেয়ে কোনোমতে ভালো ফল করে ফেলে তাদের পা মাটিতে পড়বে না। এরাই যত নষ্টের মূল হবে।
পরিশেষে সকল পরীক্ষার্থীর জন্য শুভকামনা। বিশুদ্ধ ভাবে পরীক্ষা দিয়ে সবাই বিশুদ্ধ রেজাল্ট করুক।

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪

ময়লা বাবা এবং আমি: পর্ব-৪ (রম্য)

ময়লা বাবা এবার স্ট্যাটাস মারিলেন ফেসবুক সেলিব্রেটি তত্ত্ব নিয়ে -
কিছুদিন আগে ছেলে জিগ্যেস
ইনবক্সে জিগ্যেস করতেছে ,"ভাই , ফেসবুক
সেলিব্রিটি কেমনে হয়?"
আমি বললাম ,"সেলিব্রিটি কেমনে হয়
জানিনা , তবে আপনি যদি ভালো কিছু
লেখা পোষ্ট করতে পারেন
সেলিব্রিটি না হইতে পারলেও
আস্তে আস্তে কিছু মানুষ আপনার
লেখা ভালোবাসবে এইটা নিশ্চয়তা দি
আপনার নতুন লেখার জন্য
তারা অপেক্ষা করবে"

ময়লা বাবা এবং আমি: পর্ব-৩ (রম্য)

ফেসবুক সেলিব্রেটি ময়লা বাবা যথারীতি তার স্ট্যাটাস পুস্টানো অব্যাহত রাখিলেন। তো একদিন তিনি স্ট্যাটাস মারিলেন-
মেয়েটাকে পরিচিত মনে হচ্ছে ,
অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছি, মনে হয়
আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে আছে।
ফেসবুকে সবাই এডিট
করে ছবি দেয়াতে ফেসবুকের
বাইরে কাউরে দেখলে সহজে চেনা যায়
না। মেয়েটা আমার
দিকে এগিয়ে আসছে...
মেয়েঃ এই যে , আপনি আমার
দিকে এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন?

ময়লা বাবা এবং আমি: পর্ব-২ (রম্য)

একদা ময়লা বাবা স্ট্যাটাস মারিলেন-
প্রতিরাতে ঘুমাইতে সমস্যা হয় , পাশের
বাসার দারোয়ান চাইনিজ
মোবাইলে গান শুনে সারারাত। গত
রাতেও গান ছাড়ছে ,"ও ললিতা , কোমর
বাঁকাইয়া বাঁকাইয়া চইলা গেলা ,দিলে
আমি জানালা খুলে বললাম ,"মামা ,
ভলিউম টা একটু কমানো যায় না?"
দারোয়ানঃ আইচ্চা ঠিক আছে , বন্ধ
কইরা দিতেছি।
একটু পর শুরু হইছে নতুন যন্ত্রণা,মোবাইল
ে গান অফ করছে , এখন
সে নিজে উচ্চস্বরে গাওয়া শুরু করছে,"ও
ললিতা ... ও ললিতা ... ও ললি ...

মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৪

ময়লা বাবা এবং আমি: পর্ব-১ (রম্য)

ময়লা বাবা স্ট্যাটাস মারিলেন -
আমার মত সাধারন
জনগণরা আছে মাইনক্যা চিপার মধ্যে...
মুসলমানদের পক্ষে যদি কোনও
কথা বলি তাহলে, পাদা / বিএনপি,
জামাত শিবির ট্যাগ মারা হয় ;
আবার যদি বলি , হিন্দুদের বাড়িঘর
পুরানো উচিত হয় নাই, তাইলে ভাদা /
নাস্তিক / আওয়ামী ট্যাগ দেয়া হয়;
...আফসোস এখন পর্যন্ত কেউ

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

এড মি বিজ্ঞাপন : -P

আজ হঠাত কিছু এড মি বিজ্ঞাপন চোখে পড়লো। আর যাই বলেন এইসব এড মি কমেন্ট কিন্তু বেশ মজাদার্। সময় ছিল তাই কপি করে রেখেছি। আজাইরা পোস্ট হিসেবে স্ট্যাটাস মারলাম । (বি.দ্র: এইটা সম্পুর্ণ আজাইরা পোস্ট)
১/আপনি আমাকে 2G গতিতে AD দেন আমি 3G গতিতে আপনার AD acpect করবো । আর মজার মজার গল্প পড়ুন । মেডিকেল কলেজে পড়াচ্ছেনপ্রফেসর।
প্রফেসর: মনে করো, কেউপ্রচণ্ডঅস্থির। একবার বসে, আবারদাঁড়ায়, কী করবে বুঝে পায় না। মাঝেমধ্যে চিৎকার,চেঁচামেচি,লম্ফঝম্পও করে। এমনঅসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্তব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদেরকী ধারণা হবে?
…: . . . .
পেছন থেকে একটি ছেলে উঠে দাড়িয়ে বলল সার উনি একজন ফুটবল কোচ ।

২/  ঐ খাড়ান খাড়ান !! আমার আইডি টা ঘুইরা আসেন (Y) আমরা বদের দল
আমরা বদের দল আমরা বদের দল আমরা বদের দল আমরা বদের দল  বদের বদ বদের বদ বদের বদ  একটা রিকু দ্যান না ভাই

৩/ ADD ME .আমাকে বন্দু করুন কতা দিলাম 30 সেকেন্টে মধ্যে confirm করবো ।।।॥।। আমার উইলে দারুন সব কিছো পাবেন……..।।আর কতা বলার একজন মানুষ পাবেন…..ADD ME..ধন্যবাদ

৪/ফেবুতে Frnd request পাঠানো কোনো দোযের কিছু নয় । আমি আপনাদের ভালো বন্ধু হতে চাই । আসলে সবাই ফেসবুকে মেয়েদের এড করে বেশী। আসলে একটা জিনিস চিনতা করুন মেয়েরা কি আপনার ছবিতে লাইক মারে কমেন্ট করে,করে না। তাই মেয়েদের এড করে লাভ কী । বরন আপনার ১০টা ছেলে বন্ধু থাকলে আপনি ৭টা লাইক পাবার আসা রাখেন। আর আপনি কিভাবে বুঝবেন ওইডা ফ্যাক আইডি না।আসল কি নকল। এখনো সময় আছে ছেলে বন্ধু এড করুন। দুষ্টু গরুর চেয়ে শুন্ন গোয়াল অনেক ভাল। আমার কথা গুলো ভালো লাগলে আমাকে একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান। জানি অনেক মেয়ে পাগল বন্ধুর কাছে খারাপ লাগবে। আমি আপনার ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এর অপেক্ষায়। add me আমি সারাদিন ফেবুতে থাকি । তাই আপনারা আমাকে এড করতে পারেন ।
আমি ৭ দিনের জন্য ব্লক

বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৩

আরিফ আর হোসাইনের জনপ্রিয়তা হুমকীতে



পুরাতন খবর: নিউটনের মধ্যাকর্ষণ সূত্র ভুল প্রমানিত
নতুন খবর: আরিফ আর হোসাইনের জনপ্রিয়তা হুমকীর মুখে।
নতুন খবরের বিস্তারিত রুপ: কতিপয় চেইন ফেবু ইউজার #আরিফ_আর_হোসাইন ভাইয়ের এই বিশাল জনপ্রিয়তায় মনে মনে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন। তাদের নিউরনে একটা কথাই অনুরনন তুলল “আমরা সারাদিন ফেবুতে থাকি অথচ আরিফ নামে কোন বারকোড ওয়ালা এত জনপ্রিয়? এটা অন্যায়। যেই ফেবুকে আমরা এতকিছু দিচ্ছি সেই ফেবুই আমাদের করে রাখবে ব্রাত্য? আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব। আমাদের নেট প্যাকেজের শেষ কিলোবাইট
থাকা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। “ কিন্তু কোনো আন্দোলন চালাতে হলে অবশ্যই স্লোগান লাগে, পরামর্শ লাগে। এক্ষেত্রে বিদেশিদের পরামর্শ বেশ কাজে দেয়। তারা বিদেশিদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে কাজ শুরু করে। তাদের সেরা স্লোগান হল “এড মি আই এম ব্লক” , এ তো “অধিকার চাই, আমি অধিকার বঞ্চিত” এরই মার্জিত রুপ! আরেকটি স্লোগান হল “প্লিজ লাইক ব্যাক” , “পশ্চাদ দেশে লাইক দে”। জনমত তৈরীর জন্য তারা বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করে। যেমন রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলা হয় “অমুক ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। অমুক ভাই কে ভোট দিন” তেমনি এরাও সমাবেশ করে বলে “এড হিম, বেস্ট লাইকার, থ্রিজি লাইকার,
সেইরাম এক্টিভ” প্রত্যেকটা আন্দোলনেরই একটা ফল আছে। এই ফল স্বরুপ অবশেষে আরিফ ভাইয়ের বিপরীতে জনৈক প্রতিদ্বন্দী পাওয়া গেছে। দুইজনের মাঝে তুলনা করে বোঝা গেল প্রতিদ্বন্দী টাই আরিফ ভাইয়ের
চেয়ে এগিয়ে। উল্লেখ্য আরিফ আর হোসাইন এর আগে একটি পোস্টে পুরষ্কারের ঘোষনা দিয়েছিলেন। সেই পোস্টে এক বছর ধরে ৫০০০০ এর কাছাকাছি মন্তব্য
হয়েছে। কিন্তু জনৈক প্রতিদ্বন্দী তিন
দিনেই ৩২০০০+ মন্তব্য পেয়ে জানান
দিলেন “আমি আসছি, রেডি থাইকেন”
পরিসংখ্যান বলছে তিনি অচিরেই লাইক
কমেন্টে #আরিফ ভাই
কে ছাড়িয়ে যাবেন।
এখানে প্রশ্ন আসতে পারে জিম্বাবুইয়ান
ডলার আর ইউ এস ডলার এক হলো? আমি বলব,
দুইটার নামেই ডলার আছে, পার্থক্য শুধু
একটা জিম্বাবুয়ের আরেকটা ইউএসএ’র।
এই অবস্থায় আরিব্বাইয়ের
কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে জবাব
আসে “অনুভূতির ফালুদা”
সেই দিন আর দেরি নাই যেদিন ফেবুর
সমস্ত অধিকার বঞ্চিত ইউজার এই jounoik (জনৈক) নেতার gay gay(জয় জয়) করবে। সেদিন হয়ত ইনিই এগিয়ে যাবেন
gay jounoik shalirbeti
জয় জনৈক সেলিব্রেটি

সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৩

কপিবাজ


: হ্যালো ভাই, লেখাটা কি আপনার?
- হ্যা আমার
: আপনি সিওর?
-(উত্তর নাই)
: উত্তর দেন ভাই
- না ভাই আমার না,
: তাইলে কারটেসী ছাড়া পোস্ট দিলেন যে? এইটারে তো চুরি কয়
- ভাই মাইন্ড কইরেন না, আমি একটা মেয়েকে পটানোর চেষ্টা করছি। সে আবার গল্প পছন্দ করে। তাই অনেকের লেখাই পোস্ট করি
: ও, আমার লেখা পড়ে ওই মেয়ে পটবে?
- জানিনা ভাই, পটতে পারে
: আইচ্চা তাইলে কপি কইরেন
– থ্যাংক ইউ ভাই
: আরেকটা জিনিস, ওই মাইয়ারে কইয়েন আমারে ব্লক মারতে, শুধু আমারে না , যাদের লেখা কপি করেন সবাইকে ব্লক মারতে বইলেন।
- ক্যান ভাই?
: আমার লেখা পড়লে আমারে চোর কইব। আপনি কি চান আমারে চোর ভাবুক?
- আচ্ছা কমুনে
*কপি বাজদের প্রতি সদয় হোন,
তারা সাধে কপি দেয় না। জয় হোক
কপি বাজদের

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৩

ফেসবুকের প্রতারনার হাত থেকে ছেলে এবং মেয়ে উভয়কে সতর্কীকরণ


সেঃ-হাই
আমিঃ-তুমি তো তোমার ভাইকে ভুলেই গেছ। (কারন নামটা ছিল আমার এক লিস্টেড সিস্টার এর নাম, তাই আমি আমার বোন ভেবেই কথা বলছিলাম)
সেঃ-আপ্নাকে কি ভোলা যায়। মিস ইউ সো মাচ। (এখানেই আমার খটকা লাগে, কারন আমার এই বোন কখনো আমাকে আপনি বলেনি। প্রোফাইলে ঢুকে দেখি ইনি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে নেই, কিন্তু আমার আপুর সব ছবি দিয়ে আইডি টা খোলা। লাইক অপশনে দেখলাম লুল বালকদের আকৃষ্ট করার জন্য বেশ কিছু এডাল্ট পেজে লাইক দেয়া। আমি তবুও তার সাথে কথোপকথন চালিয়ে যেতে লাগলাম)

আমিঃ-আহা দরদ যেনো উথলে পড়ছে! কেমন আছেন?
সেঃ-ভালো না
আমিঃ-কেন? :o
সেঃ-অসুস্থ
আমিঃ-তো ডাক্তার দেখান
সেঃ-টাকা নাই, আমাকে কিছু টাকা ধার দিতে পারবেন?
আমিঃ-কত লাগবে?
সেঃ-২০০০ দিলে আপনার সাথে হোটেলে যাবো
আমিঃ-আমি হোটেলে খাই নয়া
সেঃ-আরে কিছুই বোঝেন না দেখি (সংক্ষেপিত)
আমিঃ-টাকা কিভাবে পাঠাতে হবে সেটা বলেন

আমাকে একটা বিকাশ নাম্বার দিলো
আমি তাকে কিছুক্ষন পর বললাম টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি
সে বলল কই টাকা আসেনি তো
আমিঃ- টেকনিক্যাল্ প্রবলেম থাকতে পারে, আবার দিচ্ছি
সে ঘন্টা খানেক পর বলল এখনো আসেনি
আমিঃ-নাম্বার ভুল ছিলো হয়ত, আবার দিচ্ছি
এরপর সে আমার ইনবক্স এ কিছুক্ষন পর পর মেসেজ দিতে লাগলো এখনো আসেনি, এখনো আসেনি
অতঃপর সে আমাকে গালিগালাজ আরম্ভ করল এবং ব্লক করল।

এখন আসল কথায় আসি, আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে। সেদিন এক ছেলে আমাকে একটা মেয়ের আইডি লিঙ্ক দিয়ে বলল ভাই এটাকে চেনেন? দেখলাম এটাও আমার ফ্রেন্ডলিস্টের একজনের নামে ফেইক আইডি হয়ত কোনো পেত্নী খুলেছে। তবুও বললাম চিনি, কি হয়েছে?
ছেলেঃ- এই মেয়ে আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা খেয়েছে, আমার সাথে ৩মাস প্রেম করেছে, আমি একটা ফোন গিফট করেছি
আমিঃ-কোনোদিন দেখেছেন একে?
ছেলেঃ-না, আমি এর ছবি দিয়ে পর্ণগ্রাফি বানিয়ে ছড়িয়ে দেবো
আমিঃ-থামেন ভাই, এইটা ওই মেয়ের ছবি না। ওই মেয়ে আসলে কোনো পেত্নী হবে তাই অন্যের ছবি দিয়ে আপনার সাথে প্রেম করেছে। আপনি ওর জন্য আরেকটা মেয়ের জীবন নষ্ট করতে পারেন না।

আরেক ছেলে আমাকে বলল আমার সাথে অনেকদিন একটা মেয়ের বন্ধুত্ব, আজ সে হঠাত করেই আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা চেয়ে বসে, আমি বিকাশ করতে গিয়েও করলাম না। কারন মেয়েটা অনেক দুরের, জাস্ট ফেবুতেই পরিচয়, তাই ভাবলাম আপনাকে জানিয়ে নেই

ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ফেসবুকে কোনো মেয়ে রুপি আইডির মিষ্টি কথায় ভুলবেন না। আইডি টা কোনো ছেলের কিংবা পেত্নির কিংবা কোনো বাজারির হতে পারে। আপনার শত ঘনিষ্ট হোক, তবুও সে কখনোই হাজার হাজার টাকা চাইবে না। আর ভাবুন একটা মেয়ে হাজার হাজার টাকার জন্য আপনাকে কেন বলবে? তার টাকার দরকার হলে তার বাবা মা কে বলবে। আর কি প্রয়োজনে টাকাটা লাগবে সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে নিজের সতর্কতাটা নিজের কাছেই। এতে হয়ত কারো সাথে আপনার বন্ধুত্ব নষ্ট হবে, কিন্তু আপনি ধোকার হাত থেকে বেচে যাবেন।

এবার মেয়েদের উদ্দেশ্যে বলি, অনেক মেয়েই ফেসবুকে এসে প্রেম করেন। কিন্তু এমনো হয় যার সাথে প্রেম করছেন সে একাধিক মেয়ের সাথে প্রেম করছে(সবার ক্ষেত্রে না)। বাস্তব জিবনে আপনার বিএফ অন্য কারো সাথে প্রেম করলে সেটা হয়ত ধরতে পারবেন কিন্তু ভারচুয়াল জগতে ধরা ততোটা সহজ না। শেষমেশ ধোকা খেয়ে কান্নাকাটি করবেন। অনেক মেয়েই আবার ফেবু সেলিব্রেটি টাইপের কিছু ছেলের প্রেমে পড়ে যান। সেই সেলিব্রেটি আবার বুইড়া ভাম হতে পারে। নিজের ২০-৩০ টা ছবি তাকে দিয়ে বসেন। পরে সে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করে, আপনার ছবি পর্ণ সাইটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। আবার এই ছবিগুলো দিয়েই ফেইক আইডি খুলে ছেলেদের ব্ল্যাকমেইল করা হয়। এই ছবি সংগ্রহকারীরা একটা সক্রিয় চক্র। এরা একাধিক মেয়ের কাছ থেকে ছবি নিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে। তাই আপুদের বলছি বিশ্বস্ত কেউ না হলে তাকে এভাবে ছবি দেবেন না। এবার প্রশ্ন আসতে পারে কেউ বিশ্বস্ত কিনা তা কিভাবে বুঝবো? এমন অনেকে আছে যাদের বিশ্বাস না করে পারা যায় না। [কেউ #বিশ্বস্ত কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য আপনি বিভিন্ন নিক নাম, সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিচিতি দিয়ে ২-৩ টা ফেইক আইডি খুলুন, সেই আইডি গুলো কে নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে রাখবেন না। আইডি খোলার কিছুদিন পর কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির বিশ্বস্ততা পরীক্ষা করুন। সে যদি বিশ্বস্ত না হয় তবে অপরিচিত মানুষ পেয়ে আপনাকে ফাদে ফেলানোর চেষ্টা করবে। একাধিক আইডি দিয়ে একই ব্যাক্তির সাথে চ্যাট করলে আপনি খুব সহজেই বুঝবেন সে বিশ্বস্ত কিনা যদি আপনার ন্যূনতম জ্ঞান থাকে। (এটা ছেলে মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)] আমি বলছি না বিশ্বস্ত কেউ একেবারেই নেই, অবশ্যই আছে যেগুলো আপনি নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই খুজে পাবেন।

এবার মেয়েদের ছবি দেয়া প্রসঙ্গে বলি, আপনারা নিজের ছবি ফেবু তে আপলোড করলে তা প্রাইভেসি দিয়ে রাখুন, এমন এমন ছবি দিন এডিট করা প্রায় অসম্ভব। ছবিগুলো তে বিভিন্ন ইফেক্ট/ফিল্টার ব্যাবহার করতে পারেন, যাতে বোঝা যায় আপনি সুন্দরি কিন্তু সেটা দিয়ে কারো পর্ণগ্রাফি করার যেন ক্ষমতা না থাকে। আর সবচেয়ে ভালো হয় নিজের ছবি না দেয়া। এটা আপনার সতর্কতার জন্য।

যাই হোক অনেক কথা বললাম, হ্যাপি ফেসবুকিং। [বিদ্রঃ ফেইক আইডি গুলা যেনো কুকামে লাগাইয়েন না :p আপ্নের কাম হইয়া গেলে ফালাইয়া রাইখেন :P জুকারের ফেসবুক জনসংখ্যা আশা করি অতি দ্রুতই পৃথিবীর জনসংখ্যা কে অতিক্রম করবে ]

রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৩

ফেসবুক মেসেজ বিড়ম্বনা (রম্য)


\ফেসবুকে ঢোকার পর ফ্রেন্ড লিস্টের বাইরে থাকা ৫ জনের মেসেজ একবারে দেখে নিজেই কিছুক্ষনের জন্য আবুল হয়ে গেলাম। এগুলো তুলে না ধরে পারলাম না।

১ম জনঃ- এড মি প্লিজ। আই অ্যাম ব্লক। প্লিজ প্লিজ এড মি।
এই টাইপের মেসেজ আমার মত অনেকেই পেয়ে থাকেন এবং সবারই হয়ত আমার মত রাগ হয়। মনডায় চায় তখন ঠাডায়া একটা থাবড়া দেই >_<
আমিঃ- আমিও ব্লক আছি :'( কি যে করি
সে আবার রিপ্লি দিলোঃ- ভন্ডামী করার জায়গা পাও না। ব্লক থাকলে কেউ মেসেজ দিতে পারে?
আমিঃ- ভাবতেছি ভন্ডামী করার ১০১ উপায় নামে বই লিখব। ভালো চলবে হয়ত। কিনবেন কিন্তু। (অতঃপর আমাকে ব্লক মারা হল)
২য় জনঃ- ভাইয়া প্লিজ আমাকে এই পেজের এডমিন বানান।
আমিঃ- আমার তো কোনো পেজ নাই
২য় জনঃ- এডমিন ভাই আপনার এই পেজের কথাই বলছি
এতোক্ষনে বুঝলাম উনি আমার আইডি কে পেজ ভাবছেন। এই আবুল টা পেজ আর আইডির পার্থক্য বোঝেনা। প্রোফাইল চেক করে দেখলাম ইন আ রিলেশন শিপ উইথ অমুক পোলা। বুঝলাম এইডা পোলা মাইয়ারও পার্থক্য বোঝেনা
আমি তাকে আরিফ ভাইয়ের আইডি লিঙ্ক দিয়ে বললাম “আমার মত ছোট পেজের এডমিন হয়ে কি করবেন? ইনি এডমিন খুজছেন। ইনার কাছে গিয়ে বলুন, একবারে এডমিন বানাবে”
৩য় জন আমাকে তার প্রোফাইল পিকচারের লিঙ্ক দিয়ে মেসেজ করেছে। লিঙ্কে ঢুকে দেখলাম প্রায় ১৫০০০ লাইক । ছবিটাও ১বছর আগের। বুঝলাম উনি ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরে থেকে লাইক কালেক্ট করছেন। আমার ভাবতে অবাক লাগে মাত্র ২-৩টা প্রোফাইল পিকচারের পেছনে এরা পুরো ফেসবুক ক্যারিয়ার টা নষ্ট করে কি লাভ পায়?
চতুর্থ জনঃ- ভাইজান রিকু দিলাম, এক্সেপ্ট করলেন না, সোজা ডিলেট মারলেন? কাজ টা ভালো করলেন না
আমিঃ- শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, আপনার প্রোফাইল ঘুরে দেখলাম ১৮+, ২০+, ২৪+, ৩০+ বিভিন্ন মাত্রার চিত্তাকর্ষক পেজে লাইক দেয়া। তার পাশেই পবিত্র কোরআন শরীফ, মা, আল্লাহ ইত্যাদি পেজে লাইক দেয়া। আমার বয়স এখনো ১৮ হয়নি, তাছাড়া আমি এসব মাল্টি ক্যারেক্টার বুঝিনা। সব কিছু মিলিয়ে ভাব্লাম আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকার আমার কোনো যোগ্যতাই নেই। তাই স্বেচ্ছায় সরে এলাম। আর এডাল্ট পেজের উপর থিসিস করতে পারেন। অনেকদুর যেতে পারবেন।
ছাগলের ৫ নাম্বার বাচ্চার মেসেজ টা আরো ভয়ানক। ওটার কথা এখানে আর বললাম না।
[উপরের ঘটনাগুলো কারো সাথে মিলে গেলে তা পুরোটাই কাকতালীয়, এর জন্য আমি দায়ী থাকব না। ঘটনা গুলো মিলতে বাধ্য]



বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৩

আমার ফেসবুক বিড়ম্বনা ও আম্মুর কাছ থেকে উত্তম মাধ্যম প্রাপ্তি (হতাশা মূলক রম্য )

"জ্বলে ওঠো বাংলাদেশ, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ" হঠাত করেই ফোনে গান টা বেজে উঠল। আসল ঘটনা এটা আমার ফোনের রিংটোন। রিংটোন টা ২ বছর ধরে আছে। ফোন থেকে ফেসবুক চালাচ্ছিলাম। হঠাত সেজো খালার ফোনে একটু বিরক্ত হলাম। তার উদ্দেশ্য আম্মুর সাথে কথা বলবে। আমিও বিরক্তি নিয়ে আম্মু কে ফোন টা দিলাম। তারা কি কথা বলল তা শুনলাম না। বড়দের কথা শুনতেও হয়না। অপেক্ষায় আছি তারা কখন তাদের বিরক্তিকর গুরুত্ত্বপূর্ণ কথা শেষ করবে।
কথা শেষ করার পর আম্মু অগ্নিচক্ষু নিয়ে আমার সামনে দাঁড়ালেন। আমি তার এমন চোখ দেখে সত্যি ভয় পেয়ে গিয়েছি। খালা আবার আমাকে নিয়ে কিছু বলল নাতো?? না না তা হবে কেন? খালা কখনো আমার নামে খারাপ কিছু বলবে না। আম্মুর ভয়ংকর চোখের দিকে তাকিয়েই বিভিন্ন হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছিলাম ।
আম্মু ফোন টা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল "সারাদিন এসবই করা হয়?"
আমি ফোন টা হাতে নেয়ার পর আসল ঘটনা বুঝতে পারলাম।
খালা ফোন দেয়ার আগে নিউজ ফিডে নিম্নোক্ত ঘটনা গুলো ঘটেছিল।
১। এক মেয়ে(সন্দেহ আছে) স্ট্যাটাস দিয়েছে "I love u frnd"। (খাইছে আমারে! এই মধুর কথাটা এখন বিষের চাইতেও মারাত্মক)
২। এক অতি মাত্রার ময়দা মাখা সুন্দরী ললনা তার ঘেডি বাকা করা বাথরুম থেকে তোলা পিক টাকে প্রোফাইল পিক করেছে। সুন্দরী ললনার পিক আমার ফোনে। (প্রোফাইল পিক চেঞ্জ করার আর টাইম পাইলি না ? বিশ্বাস কর আম্মু, এই ঘাড় ত্যাড়া মাইয়া তোমার বউমা না)
৩। এক সেলিব্রেটি আপু অতি সুন্দর সুন্দর গালি দিয়ে তার স্ট্যাটাস টিকে ১৮+ বানিয়ে দিয়েছেন। (আমি এখনো ১৮- :( বাচ্চা মানুষ। এইসব গালিগালাজ বুঝিনা :( )
শাস্তি স্বরুপ দুই সপ্তাহের কারাদন্ড প্রাপ্ত হয় আমার ফোন .। দুই সপ্তাহ আধুনিক বিশ্বের চুলকানী কামড়ানী থেকে বঞ্চিত থাকায় নিজেকে আদিম যুগের প্রানী মনে হচ্ছিল .।
মনের ভিতর খালি একটা কথায়ই ঘুরছিল
যখনই আম্মু ফেসবুকার, মাইয়ারা তখনি মারে অফার।
যখনই আম্মু চালায় ফেসবুক, ললনারা দেখায় তাদের মুখ।
আম্মু যখন দেখে সেলিব্রেটিদের স্ট্যাটাস, তখনই সেগুলো হয়ে যায় ১৮ প্লাস।
..

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

ফেসবুক রম্য জেন্ডার ভেরিফিকেশন (রম্য)

সময়কাল ২০১৪......
কিরে মন খারাপ করে বসে আছিস কেন?

-দোস্ত বিরাট কেরিখেছাং হইয়া গেছে

কি হয়েছে?

-“প্রেম পিপাসু বালিকা” নামে একটা সেইরাম আইডি খুলছিলাম

ওরে হারামজাদা অইডা তুই আছিলি? এত্ত গুলা পচা তুই! আমি মাইয়া ভাইবা এতদিন তোর লগে লুলামি করছি!

-আরে আগে হুনবি তো কাহিনি। ৬ দিনে ৭০০০ ফ্রেন্ড আর ৮০০০ ফলোয়ার হইছিল।

কস কি!!!!!

-ছবি গুলাও দিছিলাম সেইরাম সেইরাম

হ এর লেইগাই তো আমি ব্রেকআপ করলাম :’(

-আরে রাখ। আইডি ডা সেলিব্রেটি আইডি বানাইতে গেছিলাম।

কেমনে?

-জুকার রে পচাইয়া একটা পোস্ট দিছিলাম। লিখছিলাম “জুকার একটা লুল। ওর আসল রুপ ও একটা প্লেবয়। আমি আমার ফোন নাম্বার দিয়েছিলাম ওকে। মাঝে মাঝেই কথা হতো। কিন্তু ওর ভাব চক্কর আমার ভাল লাগে নাই। আমার সাথে প্রেম করতে চাইছিল। আমি কেটে পড়ায় আমাকে গালি দিয়ে মেসেজ দিয়েছিল। ওর আসল নাম পোকার। খালি আমাকে পোক মারত। মাঝে মাঝে কিল ঘুষিও মারত, তখন ওকে কিলার আর ঘুষার বলতাম। আমার জন্যই ও ফেসবুক থেকে কিল ঘুষি অপশন সরিয়ে ফেলেছে। আরও কি কি অপশন যেন এড করতে যাচ্ছিল। আমি করতে দেইনি। ও খুব খারাপ। মেয়ে দেখলেই অর মাথা ঠিক থাকেনা“

তারপর?

-মানুষ জুকার রে গালি দেয়া শুরু করল। লুচ্চা খাচ্চর হাবিজাবি বলল। আমারও পপুলারিটি বাড়ছিল। মজাও পাচ্ছিলাম।
সমস্যাটা কি?

-আরে জুকারের বাচ্চা আইডি তো ব্লক করে দিছে :’(

ব্লক করলে প্রব কি? ফটো ভেরিফিকেশন করে ঠিক কর

-আরে ফটো ভেরিফিকেশন চাইলে তো কবেই ঠিক করতাম। জেন্ডার ভেরিফিকেশন চায়

কস কি! আচ্ছা সমস্যা নাই। আজকাল চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক আগাইয়া গেছে। তুই ডাক্তার এর কাছে যা। আগে তো তোর আইডি বাচা পরে জেন্ডার।

-দোস্ত ডাক্তার এর কাছে গেলে কাম হইব তো?
হান্ড্রেড পার্সেন্ট কাজ হবে

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৩

ফেসবুক সেলিব্রেটি

আজকাল সেলিব্রেটি হতে হলে শুধু (.) লিখে স্ট্যাটাস দিন। আরে ভাই পরীক্ষিত। আবৃত্তি সুলতানা মিতু ওরফে সাভারের গরব এর চাক্ষুষ পরমাণ। তার স্ট্যাটাস নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া

পেজ অ্যাডমিন ১-
আবৃত্তি সুলতানা মিতুর এই কিউত . টির জন্য কতটি লাইক আশা করা যায়?
পেজ অ্যাডমিন ২-
আবৃত্তি সুলতানা মিতুর . এর হাত পা চোখ
কান নাক মুখ দেখতে চাইলে লাইক দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন
পেজ অ্যাডমিন ৩-
লাইক দিন র কমেন্টে . লিখুন। তারপর দেখুন ম্যাজিক
পেজ অ্যাডমিন ৪-
এক লুল পুলা আমারে চ্যালেঞ্জ করেছে আমি নাকি এই . শেয়ার করে ১২০ লাইক পাবোনা।
পেজ অ্যাডমিন ৫- .
see more….
সরকার-
. লিখে সেলিব্রেটি বনে যাওয়া আমাদের আমলেই সম্ভব
বিরোধী দল-
. নিয়া কোন চুদুর বুদুর চইলত ন
সুইসাইড এর প্রস্তুতি গ্রহন কারী-
আমাকে একটু . এনে দাও আমি খেয়ে মারা যাই
উদাস কবি-
. কে করনা হেলা, বুঝবে পরে ঠেলা, এযে বড় আজিব খেলা
স্ট্যাটাস খোর-
এইডা কি দিলি? খাইয়া তো মজা পাইনা
আমি-
হুদাই লেইখা কি লাভ? . মাইরা বইয়া থাকি আর লাইক কামাই

 
Tricks and Tips