অগ্নি (মুভি রিভিউ)

যেহেতু ভ্যালেন্টাইনস ডে, তাই শঙ্কা ছিল সিনেমা হলে অধিকাংশই জোড়ায় জোড়ায় থাকবে । তাই বন্ধুকে বোরকা পরিয়ে হলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। বন্ধুকে এই..

এরশাদোলজি (রম্য)

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, নারীদরদীয়া প্রেমিক পুরুষ আলহাজ হোমিওপ্যাথিক এরশাদ ওরফে পল্টিবাদি লাফাইন্যায়ে ডিগবাজীকে নিয়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আজকের আলোচনা অজ্ঞানে বিজ্ঞানে সজ্ঞানী এরশাদ।

ফেসবুকে প্র্তারনার হাত থেকে সতর্কতা

আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে।

ইশি (ছোটগল্প)

বিল্ডিং গুলোর ছুটে চলা খুব উপভোগ করছে ইশি। কিন্তু একটু পরেই বিল্ডিং গুলো দৌড় থামিয়ে দিল। এই জ্যাম একদম ভাললাগেনা ইশির। সবকিছু কে থামিয়ে দেয়। তবে পথের নোংড়া ছেলেমেয়ে গুলো জ্যাম কে খুব ভালবাসে।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তর

প্রশ্নঃ দেশে জনসংখ্যা কমানোর জন্য কি কি করা যায়? উত্তরঃ বিবাহ করা থেকে নারী পুরুষ কে বিরত থাকার জন্য উদবুদ্ধ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর বিছানা আলাদা করা যায়। বিছানা এক হলেই মহামারী দেখা দেবে এমন আতঙ্ক ছড়ানো যায়

ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২১ জুলাই, ২০১৪

শুধু পর্দা দিয়েই কি ধর্ষণ ঠেকানো সম্ভব?


ফিলিস্তিনের নারীরা পর্দায় থাকে এবং তারাও ইসরায়েলীদের দ্বারা  রেপ হয়ে। বিষয়টা হল ধর্ষনের ক্ষেত্রে পুরুষদের দোষ দেয়া মানে নারীদের পক্ষ নেয়া না। কারন ওই ধর্ষক ধর্ষনের সময় বোরকাওয়ালী কেও ছাড় দেবে না, সালোয়ার কামিজ পরিহিতা কেও ছাড় দেবেনা। কোনো ক্ষেত্রেই কোনো মেয়ে বলবে না "এসো আমাকে ধর্ষন করো"। মানুষ ব্যতীত সকল পশুদের আচরনই এক, যেমন এক কুকুরের সাথে আরেক কুকুরের প্রায় সব আচরনে মিল থাকে। তেমনি পৃথিবীর সকল ধর্ষকদের আচরনে মিল থাকে। এদেরকে পুরুষের কাতারে রাখলে পুরুষ জাতির অপমান। তাই এদের পশুর কাতারে রাখাই শ্রেয়।
আর হ্যা এরপরেও অনেকে বলবে মেয়েরা পর্দা করেনা বলে ধর্ষিত হয়। তাদের কাছে ধর্ষন টা অপরাধ না। পর্দা না করাই অপরাধ। প্রমান চায় কোন পর্দা করা মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে? তাদের জন্য ফিলিস্তিনের উদাহরনই যথেষ্ঠ। আর একাত্তরে কিন্তু খুল্লাম খুল্লা  ড্রেস পরিহিতা রা ধর্ষিত হয়নি

শনিবার, ২৪ মে, ২০১৪

ধর্মকে গালি দেওয়া নাস্তিক রা আঙ্গুর ফল টক নীতিতে বিশ্বাসী

সচরাচর এমন কিছু ছাত্রকে দেখা যায় যারা মোটামুটি মানের ভালো তবে একটু বেশি বোঝে।
   এই যেমন ম্যাথ কিংবা ফিজিক্সের জটিল টাইপ কোনো অংক তাকে দেয়া হল, সে কিছুক্ষন মেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হল। তারপর ঘোষনা দিয়ে দেবে, "আরে ধুর এই অংকে ভুল আছে। কি বালের প্রশ্ন বানাইছে যে ভুল ভাল অংক দেয়।" তারপর প্রশ্নকর্তা কে গাঁজাখোর মাতাল হাবিজাবি বলে গালি দিতেও পিছপা হবেনা।
কিন্তু দেখা যাবে কোনো শান্ত মাথার মেধাবী অথবা অন্যকেউ ঠিকই সেই জটিল অংক সমাধান করে ফেলবে। অর্থাৎ প্রশ্নকর্তা যে সঠিক ছিল সেটাই প্রমান করবে। মাঝখান দিয়ে কিছু বেশি বোঝা ছাগল, "শিয়ালের আঙ্গুর ফল টক নীতির" দ্বারা ভুল ভুল বলে প্রশ্নকর্তা কে গালি দেবে।

ধর্ম নিয়েও এক শ্রেনীর মানুষের মাঝে "ধর্ম খারাপ ধর্ম খারাপ" প্রমানের চেষ্টা দেখা যায়। আচ্ছা করুক সেটা যুক্তি তর্ক দিয়েই করুক। কিন্তু বুঝিনা এরা কোন যুক্তিতে ধর্মকে গালাগাল করাকে বাকস্বাধীনতা বলে? পাগল যতই অশ্রাব্য গালাগাল করুক, আমাদের কাছে কিন্তু সেটা পাগলের বাকস্বাধীনতা ;-)

যুক্তিই পারে একটা জিনিস কে ভুল এবং সঠিক প্রমান করতে। যে যেদিকে যুক্তি খাটাবে সেই অনুযায়ী ফল পাবে। আমার মনেও ধর্মের অনেক কিছু নিয়ে প্রশ্ন জাগে। সেগুলো কে হুটহাট ভুল বলে ঘোষনা দেই না, বরং কোন যুক্তিতে সেটা সঠিক তা ভাবার চেষ্টা করি। এইসব পাতি নাস্তিক গুলোর মনে প্রশ্ন জাগলেই লাফায় আর  সেটাকে ভুল প্রমানের চেষ্টা করে। এবং পরে গালি দেয়। তুমি ধর্ম কেই গালি দেও, বা আমাকেই গালি দেও না কেন, গালির জন্য তোমার চামড়ার উল্টো পিঠে লবণ মাখানো জায়েজ আছে।

কোনো তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে যুক্তি লাগে, গালি দিয়ে কিছুই হয় না। সোজা কথা তুমি আমার ধর্মকে গালি দিবা আর আমি তোমার চামড়ায় লবণ না লাগিয়ে তেল লাগাবো এটা কখনোই আশা কোরোনা।

 
Tricks and Tips