অগ্নি (মুভি রিভিউ)

যেহেতু ভ্যালেন্টাইনস ডে, তাই শঙ্কা ছিল সিনেমা হলে অধিকাংশই জোড়ায় জোড়ায় থাকবে । তাই বন্ধুকে বোরকা পরিয়ে হলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। বন্ধুকে এই..

এরশাদোলজি (রম্য)

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, নারীদরদীয়া প্রেমিক পুরুষ আলহাজ হোমিওপ্যাথিক এরশাদ ওরফে পল্টিবাদি লাফাইন্যায়ে ডিগবাজীকে নিয়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আজকের আলোচনা অজ্ঞানে বিজ্ঞানে সজ্ঞানী এরশাদ।

ফেসবুকে প্র্তারনার হাত থেকে সতর্কতা

আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে।

ইশি (ছোটগল্প)

বিল্ডিং গুলোর ছুটে চলা খুব উপভোগ করছে ইশি। কিন্তু একটু পরেই বিল্ডিং গুলো দৌড় থামিয়ে দিল। এই জ্যাম একদম ভাললাগেনা ইশির। সবকিছু কে থামিয়ে দেয়। তবে পথের নোংড়া ছেলেমেয়ে গুলো জ্যাম কে খুব ভালবাসে।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তর

প্রশ্নঃ দেশে জনসংখ্যা কমানোর জন্য কি কি করা যায়? উত্তরঃ বিবাহ করা থেকে নারী পুরুষ কে বিরত থাকার জন্য উদবুদ্ধ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর বিছানা আলাদা করা যায়। বিছানা এক হলেই মহামারী দেখা দেবে এমন আতঙ্ক ছড়ানো যায়

বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০১৪

বাণী সমগ্র-২

১) মশা নাকি শুধু ভালো মানুষদের কামড়ায়, ভালো মানুষদের খুজে পাওয়া কষ্টকর্। তারা আমাকে,খুজে পায় কিভাবে? :-P

২) পরকীয়া নিপাত যাক, ভালোবাসা বেচে থাক :-P

৩) চাপাবাজীরও একটা লিমিট আছে, আমি সেই লিমিট মানিনা।

৪) আমি পাকিস্তানের দালাল নই আমি ভারতের দালাল নই, তবে আমি দালাল, বাংলাদেশের দালাল।

৫) বৃত্ত কি কখনো উপবৃত্ত হয়? নাকি মাঝে মাঝে অপবৃত্ত হয়ে যায়? আচ্ছা অধিবৃত্ত হলেও তো মন্দ হয়না! বৃত্তের পরিধিতে খাই ঘুরপাক, কেন্দ্রে যেতে দেয়না ব্যসার

৬) নিজেকে ভালোবাসা মোটেও স্বার্থপরতা নয়, স্বার্থপরতা তাকেই বলে যখন নিজের স্বার্থের জন্য অন্যের ক্ষতি করা হয়।

৭) মানুষ কোনো বিষয়ের নেগেটিভ দিক গুলো নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই ভাবে, পজেটিভ দিক নিয়ে ভাবনা অনিচ্ছাকৃত।

৮) একে অপরকে না বুঝে হঠাত করে প্রস্তাব দিয়ে কখনো ভালোবাসা হয়না। পাশাপাশি চলতে চলতে দুজন দুজনার হয়ে যাওয়ার নামই ভালোবাসা। সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা দিয়ে হয়না।

৯) বিলাসিতা করার মত সময় ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনোটাই আমার মাঝে নেই।

১০) দুধে পানি মিশিয়ো না, এতে তোমার পাপ হবে। পানিতে দুধ মেশাও, এতে কোনো পাপ নেই ।

বাণী সমগ্র - ১

১) মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়। বেচে থাকলে গুম হয়। কারনে অকারনে গুম হয়, সকালে বিকালে গুম হয়।

২) প্রত্যেক টা মানুষই মেধাবী। কেউ পড়াশোনা তে মেধা খাটায় কেউ আকাম করার জন্য খাটায়। সে যে কাজই করুক না কেন মেধা কিন্তু সে ঠিকই খাটায়।

৩) পরীক্ষার আগে আর রমজান মাসে বেশিরভাগ পোলাপাইন ধার্মিক হয়ে যায় :-P

৪) সোশ্যাল সাইট যেমনই হোক, নেশা তৈরি করার মত ক্ষমতা প্রত্যেকটা সোশ্যাল সাইটেরই থাকে।

৫) স্ট্যাটাসে হ্যাশট্যাগ মারো,
সহজেই স্ট্যাটাস চোর ধরো ;-) :-P

৬) জগতে সেই ব্যক্তিই ভাগ্যবান যার কাছে কেউ পরীক্ষার রেজাল্ট জানতে চায় না।

৭) যার উপর মেজাজ খারাপ হয় সে যদি উল্টো মেজাজ দেখায় তবে মেজাজ টা আরো বেশি খারাপ হয়। আর এভাবেই নষ্ট হয়ে যায় অনেক বন্ধুত্ব। এসব ক্ষেত্রে উল্টো মেজাজ না দেখিয়ে মেজাজ ভালো করার চেষ্টা করা উচিত। ক্ষেত্র বিশেষে সরি বলার অভ্যাস থাকাও জরুরি। একটা ছোট্ট সরি(অবশ্যই আন্তরিকভাবে) অনেক কিছু বদলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। 

৮) কোনো সম্পর্ক "তুমি" থেকে "আপনি" তে নেমে গেলে অবাক লাগে, ভয়ংকর রকমের অবাক লাগে। মস্তিষ্ক অনুভূতি শূণ্যও হতে পারে।

৯) প্রিয়তমা আমি হয়ত ভালো করে প্রেম করতে পারি না কারন আমার প্রেমের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তবে বিশ্বাস করো আমার ভালোবাসা একদম পিওর, আইএসও সার্টিফাইড।

১০) আমার স্মৃতিশক্তি এতোটা দূর্বল নয় যে আপনাকে ভুলে যাবো।

বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৪

গরমে স্ট্যাটাস কাব্য (রম্য)

স্ট্যাটাস পড়ে শয়ে শয়ে
গ্রীষ্মের এই দিনে
চারিদিকে হা হুতাশ
বৃষ্টি আসবে কোন ক্ষণে।
বখাটে সূয্যি মামা ,
দেখায় তার হটনেস,
ললনা দেয় স্ট্যাটাস,
"উফ পুড়ে গেলো বুঝি ফেস" ।
বালক এসে কমেন্ট দেয়
"হায় হায় বলো কি?
ফেস যদি পুড়ে যায়
কে তুলিবে সেলফি?"
চামের উপ্রে ১৮+
বলে ফেলে বালক টা,
"গরমেতে মনচায়
খুলে ফেলি লুঙ্গী টা।"
কেউ কেউ স্ট্যাটাস দেয়
"এলো রে এলো রে বৃষ্টি, 
লাইক মারো শেয়ার করো
বিলি করো মিষ্টি।"
চুপচাপ বসে দেখি
এইসব কান্ড,
আনমনে দেই স্ট্যাটাস
"বৃষ্টি, চলে এসো ভন্দু"

মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৪

আমি ভাত, একজন ভাত

সময়টা ২০০৪ সাল। তখন আমি ক্লাস টু'র স্টুডেন্ট। আমার একটা বিটলা টাইপের ফ্রেন্ড ছিল নাম লাবিব। তো একদিন ক্লাসে ওর সাথে কলম খেলছিলাম।
খেলার এক পর্যায়ে ও বলে, "দোস্ত আইজ একটা নতুন গেম খেলুম। খেলবি?"
তো নতুন গেমের কথা শুনে তো আমি এক পায়ে খাড়া। বললাম, "হু খেলুম"
তারপর ও আমাকে খাতায় কিছু কথা লিখতে বলল। কথাগুলো ছিল এরকম
আমি ভাত
একজন ভাত
কে ভাত
ভালো ভাত
বাসি ভাত
তার ভাত
নাম ভাত
এটুকু লেখার পর ও বলল, "এইবার আমাগো ক্লাসের কোনো মাইয়ার নাম দিয়া ভাত লেখ"
আমিও তখন সরল মনে আমাদের ক্লাসের সেকেন্ড গার্লের নাম দিয়ে লিখলাম
*** ভাত
কিন্তু তখনই হারামজাদা টা সব ভাত কেটে দিয়ে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত আমাকে পড়তে বলল >_<
পড়ার পরই তো মাথায় আগুন :-/ ও খাতাটা কেড়ে নিয়ে পুরো ক্লাস দেখাতে লাগলো, আমি ওকে ব্যর্থ তাড়া করছিলাম শুধু। এরপর ও বেঞ্চে এবং আমার খাতায় লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েটার নাম প্লাস আমার নাম লিখে রাখত। তখন তো লজ্জায় আমার সেইরকম দশা হত।
আসলেই ছোটবেলার দিন গুলো খুব মজার ছিল। সে দিন গুলি আর কখনো ফিরে আসবে না। প্রতিটা মানুষকে যদি একটি নির্দিষ্ট বয়সে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়, তবে অধিকাংশই শৈশব কালকে বেছে নেবে

সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৪

লুঙ্গীর পোস্টমর্টেম (রম্য)

লুঙ্গী খুবই উপকারী, আরামদায়ক, বিচিত্র এবং বিপজ্জনক পোশাক। লুঙ্গীতে কোনো চেইন কিংবা হুক নেই। এতে কোনো ইলাস্টিকও নেই। লুঙ্গী পরার জন্য কোনো বেইল্ট লাগে না। এক বিশেষ ধরণের গিট্টু দিয়ে লুঙ্গী পরতে হয়। যদি কোনো লুঙ্গী তে চেইন কিংবা হুক থাকে তবে সেটা আসল লুঙ্গী নয়। তাই কেনার সময় এই দিক টা তে খেয়াল রাখতে হবে।

গঠন শৈলির সরলতার দিক দিয়ে ওড়নার পরই লুঙ্গীর অবস্থান। তবে অনেক মেয়েই ওড়না যথাস্থানে রাখে না কিংবা ওড়না পরেই না। কিন্তু লুঙ্গী পরিধান কারীকে অবশ্যই লুঙ্গী যথাস্থানে রাখতে হবে। লুঙ্গী কে কাছা মেরেও পরা যায়। তখন সেটা গিট্টুওয়ালা হাফপ্যান্টের ন্যায় কাজ করে।

লুঙ্গী নিয়ে ড্যান্সও তৈরি হয়ে গেছে। একে লুঙ্গী ড্যান্স বলে। তবে লুঙ্গী ড্যান্স দেয়ার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। অসতর্ক হলে  ড্যান্স চলবে ঠিকই কিন্তু লুঙ্গী থাকবে না।

লুঙ্গী একটি সিলিন্ডার কিংবা পাইপ আকৃতির পোশাক। মেয়েদের স্কার্টের সাথে সাদৃশ্য থাকায় একে ছেলেদের স্কার্টও বলা যায়। লুঙ্গী ও স্কার্টের পার্থক্য হল, লুঙ্গী আগা গোড়াই সমান ব্যসার্ধের হয় কিন্তু স্কার্টের আগাগোড়া সমান ব্যসার্ধের না।

যারা লুঙ্গী পরায় অভ্যস্ত না তারা লুঙ্গী পরলে অবশ্যই ব্যাকআপ রাখতে হবে (সাবধানের মাইর নাই)।
লুঙ্গী তে বাড়তি কিছু ফিচার যুক্ত করতে পারলে এটি হয়ে উঠবে আরো আকর্ষনীয় ও নিরাপদ পোশাক। এই যেমন স্মার্টফোন কিংবা  মানিব্যাগ রাখার জন্য পকেট। তাহলে আপনি গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটিং এও লুঙ্গী পরে যেতে পারবেন। লুঙ্গী তে বেইল্ট লাগাতে পারলে তা আরো নিরাপদ হবে। তাই লুঙ্গী তে বেইল্ট লাগানোর জন্য লুপ রাখা যেতে পারে।

প্রযুক্তির  উৎকর্ষতায় অনেক অসাধ্যই সাধন হয়েছে। তাই আমরা আশা করতেই পারি  অদূর ভবিষ্যতে লুঙ্গীতে পাসওয়ার্ডের ব্যবহার হবে। তখন পাসওয়ার্ড ছাড়া লুঙ্গী খুলবেই না (পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিংবা হ্যাক হয়ে গেলে আমারে ধইরেন না :-P )। আমরা চাই অতিসত্ত্বর এন্ড্রয়েড চালিত লুঙ্গী আসুক।

জয় হোক লুঙ্গীর,
গরমে আরামের সঙ্গী,
খিয়ানত শাহ লুঙ্গী।

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৪

গরমে তরমুজ ও বেলের ব্যবহার (রম্য)

গরমে যখন লাইফ টা হেল,
তখনই ব্যবহার করুন তরমুজ আর বেল।

আসুন জেনে নেই গরমে তরমুজ আর বেলের বাহারী ব্যবহার।

১। প্রথমেই আপনার মাথা টাকে বেলের ন্যায় টাকবেল বানিয়ে ফেলুন। গরম থেকে কিছুটা রেহাই পাবেন।

২। এবার একটি বেল নিয়ে মাথা আস্তে আস্তে ঠোকাঠুকি করুন। সময়ের সাথে ঠোকাঠুকির জোর বাড়ান। যদি বেল টা ফেটে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার মাথা যথেষ্ট গরম সহ্যের ক্ষমতা রাখে। আর মাথা ফেটে গেলে মাথা খুলে ওই জায়গায় বেল লাগান।

৩। বেলের শরবত গরমে খুবই উপকারী। বেলের শরবত বানাতে হলে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। প্রথমে বেল ফাটাতে হবে। যদি সফল হোন তবে বেলের হলুদাভ অংশ সংগ্রহ করে চিনির সাথে পানিতে চুবান।

৪। গরমে আরেকটি উপকারী ফল তরমুজ। তরমুজের রস শরীরে লাগালে আপনি প্রশান্তি অনুভব করবেন।

৫। কিছুকিছু তরমুজের ভেতরের অংশ লাল হয়। শুধুমাত্র সেসব তরমুজই খাবেন। ভুলেও সাদা তরমুজ খাবেন না।

৬। তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রে আরেকটি সতর্কতা অবলম্বন করুন। মাটির তৈরী শোপিস জাতীয় তরমুজ খাবেন না। এতে আপনার দাঁতের ক্ষতি হবে।

৭। তরমুজের উপরের আবরন টি আপনার টাক মাথায় ক্যাপ হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে আপনার চার টি উপকার হবে,

ক) তরমুজের আবরনের ভেতরের অংশ আপনার বেল মাথা কে শীতল রাখবে।

খ) বেল  মাথার দিকে কাকের বিশেষ আকর্ষণ থাকে। এটি কাকের মল থেকে আপনার মাথাকে রক্ষা করে।

গ) বন্ধুরা বেল মাথা পেয়ে তবলা বাজাতে পারে। বন্ধুদের বাদক প্রতিভা থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

ঘ) তরমুজের খোসা পরিহিত অবস্থায় থাকলে আপনি সকলের আকর্ষনে পরিনত হবেন।

৮। এবার একটা সেলফি তুলে ফেসবুকে ফুটু আপলোডান।

গরমে একটি জনসেবামূলক পোস্ট

 
Tricks and Tips