অগ্নি (মুভি রিভিউ)

যেহেতু ভ্যালেন্টাইনস ডে, তাই শঙ্কা ছিল সিনেমা হলে অধিকাংশই জোড়ায় জোড়ায় থাকবে । তাই বন্ধুকে বোরকা পরিয়ে হলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। বন্ধুকে এই..

এরশাদোলজি (রম্য)

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, নারীদরদীয়া প্রেমিক পুরুষ আলহাজ হোমিওপ্যাথিক এরশাদ ওরফে পল্টিবাদি লাফাইন্যায়ে ডিগবাজীকে নিয়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আজকের আলোচনা অজ্ঞানে বিজ্ঞানে সজ্ঞানী এরশাদ।

ফেসবুকে প্র্তারনার হাত থেকে সতর্কতা

আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে।

ইশি (ছোটগল্প)

বিল্ডিং গুলোর ছুটে চলা খুব উপভোগ করছে ইশি। কিন্তু একটু পরেই বিল্ডিং গুলো দৌড় থামিয়ে দিল। এই জ্যাম একদম ভাললাগেনা ইশির। সবকিছু কে থামিয়ে দেয়। তবে পথের নোংড়া ছেলেমেয়ে গুলো জ্যাম কে খুব ভালবাসে।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তর

প্রশ্নঃ দেশে জনসংখ্যা কমানোর জন্য কি কি করা যায়? উত্তরঃ বিবাহ করা থেকে নারী পুরুষ কে বিরত থাকার জন্য উদবুদ্ধ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর বিছানা আলাদা করা যায়। বিছানা এক হলেই মহামারী দেখা দেবে এমন আতঙ্ক ছড়ানো যায়

মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৪

আমি ভাত, একজন ভাত

সময়টা ২০০৪ সাল। তখন আমি ক্লাস টু'র স্টুডেন্ট। আমার একটা বিটলা টাইপের ফ্রেন্ড ছিল নাম লাবিব। তো একদিন ক্লাসে ওর সাথে কলম খেলছিলাম।
খেলার এক পর্যায়ে ও বলে, "দোস্ত আইজ একটা নতুন গেম খেলুম। খেলবি?"
তো নতুন গেমের কথা শুনে তো আমি এক পায়ে খাড়া। বললাম, "হু খেলুম"
তারপর ও আমাকে খাতায় কিছু কথা লিখতে বলল। কথাগুলো ছিল এরকম
আমি ভাত
একজন ভাত
কে ভাত
ভালো ভাত
বাসি ভাত
তার ভাত
নাম ভাত
এটুকু লেখার পর ও বলল, "এইবার আমাগো ক্লাসের কোনো মাইয়ার নাম দিয়া ভাত লেখ"
আমিও তখন সরল মনে আমাদের ক্লাসের সেকেন্ড গার্লের নাম দিয়ে লিখলাম
*** ভাত
কিন্তু তখনই হারামজাদা টা সব ভাত কেটে দিয়ে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত আমাকে পড়তে বলল >_<
পড়ার পরই তো মাথায় আগুন :-/ ও খাতাটা কেড়ে নিয়ে পুরো ক্লাস দেখাতে লাগলো, আমি ওকে ব্যর্থ তাড়া করছিলাম শুধু। এরপর ও বেঞ্চে এবং আমার খাতায় লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েটার নাম প্লাস আমার নাম লিখে রাখত। তখন তো লজ্জায় আমার সেইরকম দশা হত।
আসলেই ছোটবেলার দিন গুলো খুব মজার ছিল। সে দিন গুলি আর কখনো ফিরে আসবে না। প্রতিটা মানুষকে যদি একটি নির্দিষ্ট বয়সে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়, তবে অধিকাংশই শৈশব কালকে বেছে নেবে

সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৪

লুঙ্গীর পোস্টমর্টেম (রম্য)

লুঙ্গী খুবই উপকারী, আরামদায়ক, বিচিত্র এবং বিপজ্জনক পোশাক। লুঙ্গীতে কোনো চেইন কিংবা হুক নেই। এতে কোনো ইলাস্টিকও নেই। লুঙ্গী পরার জন্য কোনো বেইল্ট লাগে না। এক বিশেষ ধরণের গিট্টু দিয়ে লুঙ্গী পরতে হয়। যদি কোনো লুঙ্গী তে চেইন কিংবা হুক থাকে তবে সেটা আসল লুঙ্গী নয়। তাই কেনার সময় এই দিক টা তে খেয়াল রাখতে হবে।

গঠন শৈলির সরলতার দিক দিয়ে ওড়নার পরই লুঙ্গীর অবস্থান। তবে অনেক মেয়েই ওড়না যথাস্থানে রাখে না কিংবা ওড়না পরেই না। কিন্তু লুঙ্গী পরিধান কারীকে অবশ্যই লুঙ্গী যথাস্থানে রাখতে হবে। লুঙ্গী কে কাছা মেরেও পরা যায়। তখন সেটা গিট্টুওয়ালা হাফপ্যান্টের ন্যায় কাজ করে।

লুঙ্গী নিয়ে ড্যান্সও তৈরি হয়ে গেছে। একে লুঙ্গী ড্যান্স বলে। তবে লুঙ্গী ড্যান্স দেয়ার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। অসতর্ক হলে  ড্যান্স চলবে ঠিকই কিন্তু লুঙ্গী থাকবে না।

লুঙ্গী একটি সিলিন্ডার কিংবা পাইপ আকৃতির পোশাক। মেয়েদের স্কার্টের সাথে সাদৃশ্য থাকায় একে ছেলেদের স্কার্টও বলা যায়। লুঙ্গী ও স্কার্টের পার্থক্য হল, লুঙ্গী আগা গোড়াই সমান ব্যসার্ধের হয় কিন্তু স্কার্টের আগাগোড়া সমান ব্যসার্ধের না।

যারা লুঙ্গী পরায় অভ্যস্ত না তারা লুঙ্গী পরলে অবশ্যই ব্যাকআপ রাখতে হবে (সাবধানের মাইর নাই)।
লুঙ্গী তে বাড়তি কিছু ফিচার যুক্ত করতে পারলে এটি হয়ে উঠবে আরো আকর্ষনীয় ও নিরাপদ পোশাক। এই যেমন স্মার্টফোন কিংবা  মানিব্যাগ রাখার জন্য পকেট। তাহলে আপনি গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটিং এও লুঙ্গী পরে যেতে পারবেন। লুঙ্গী তে বেইল্ট লাগাতে পারলে তা আরো নিরাপদ হবে। তাই লুঙ্গী তে বেইল্ট লাগানোর জন্য লুপ রাখা যেতে পারে।

প্রযুক্তির  উৎকর্ষতায় অনেক অসাধ্যই সাধন হয়েছে। তাই আমরা আশা করতেই পারি  অদূর ভবিষ্যতে লুঙ্গীতে পাসওয়ার্ডের ব্যবহার হবে। তখন পাসওয়ার্ড ছাড়া লুঙ্গী খুলবেই না (পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিংবা হ্যাক হয়ে গেলে আমারে ধইরেন না :-P )। আমরা চাই অতিসত্ত্বর এন্ড্রয়েড চালিত লুঙ্গী আসুক।

জয় হোক লুঙ্গীর,
গরমে আরামের সঙ্গী,
খিয়ানত শাহ লুঙ্গী।

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৪

গরমে তরমুজ ও বেলের ব্যবহার (রম্য)

গরমে যখন লাইফ টা হেল,
তখনই ব্যবহার করুন তরমুজ আর বেল।

আসুন জেনে নেই গরমে তরমুজ আর বেলের বাহারী ব্যবহার।

১। প্রথমেই আপনার মাথা টাকে বেলের ন্যায় টাকবেল বানিয়ে ফেলুন। গরম থেকে কিছুটা রেহাই পাবেন।

২। এবার একটি বেল নিয়ে মাথা আস্তে আস্তে ঠোকাঠুকি করুন। সময়ের সাথে ঠোকাঠুকির জোর বাড়ান। যদি বেল টা ফেটে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার মাথা যথেষ্ট গরম সহ্যের ক্ষমতা রাখে। আর মাথা ফেটে গেলে মাথা খুলে ওই জায়গায় বেল লাগান।

৩। বেলের শরবত গরমে খুবই উপকারী। বেলের শরবত বানাতে হলে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। প্রথমে বেল ফাটাতে হবে। যদি সফল হোন তবে বেলের হলুদাভ অংশ সংগ্রহ করে চিনির সাথে পানিতে চুবান।

৪। গরমে আরেকটি উপকারী ফল তরমুজ। তরমুজের রস শরীরে লাগালে আপনি প্রশান্তি অনুভব করবেন।

৫। কিছুকিছু তরমুজের ভেতরের অংশ লাল হয়। শুধুমাত্র সেসব তরমুজই খাবেন। ভুলেও সাদা তরমুজ খাবেন না।

৬। তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রে আরেকটি সতর্কতা অবলম্বন করুন। মাটির তৈরী শোপিস জাতীয় তরমুজ খাবেন না। এতে আপনার দাঁতের ক্ষতি হবে।

৭। তরমুজের উপরের আবরন টি আপনার টাক মাথায় ক্যাপ হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে আপনার চার টি উপকার হবে,

ক) তরমুজের আবরনের ভেতরের অংশ আপনার বেল মাথা কে শীতল রাখবে।

খ) বেল  মাথার দিকে কাকের বিশেষ আকর্ষণ থাকে। এটি কাকের মল থেকে আপনার মাথাকে রক্ষা করে।

গ) বন্ধুরা বেল মাথা পেয়ে তবলা বাজাতে পারে। বন্ধুদের বাদক প্রতিভা থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

ঘ) তরমুজের খোসা পরিহিত অবস্থায় থাকলে আপনি সকলের আকর্ষনে পরিনত হবেন।

৮। এবার একটা সেলফি তুলে ফেসবুকে ফুটু আপলোডান।

গরমে একটি জনসেবামূলক পোস্ট

মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৪

আপনি কি আরিফিন রুমী কে চেনেন? (রম্য)

একদা আরিফিন রুমী সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে ডুবে গেলেন। কিন্তু ভাগ্যক্রমে সে যাত্রায় বেচে ফিরে এসেছিলেন।

কিছুদিন পর এক যুবক সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে ডুবে গেলেন। সাগরের তলে গিয়ে দেখলেন এক মৎস্যকন্যা একটি বাচ্চা কোলে করে বসে আছে। মৎস্যকন্যা টি যুবক কে জিজ্ঞাসা করল, "আপনি কি আরিফিন রুমী কে চেনেন?"

রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৪

সুব্রামানির এক তৃতীয়াংশ তত্ত্ব (রম্য)

সুব্রামানি নামটি কে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় নারিকেলের ছোবড়া থেকেই নামটি উদ্ভুত। উনি যে নারিকেলের ছোবড়া এটা আমরাও মানি উনিও মানেন। তাই তিনি সুব্রামানি।
নারিকেলের ছোবড়ার কি কাজ তা আমরা সবাই জানি।
উনি ভারতীয় ভেজাল মদ খেয়েছিলেন, তাই তার চলন বলনে মাতলামি প্রকাশ পাচ্ছিল না। তিনি মাতাল ছিলেন এবং সেটা প্রমান করার জন্যই উল্টাপাল্টা বলে ফেলেছেন।
কিন্তু আমি ভয়ে আছি, না জানি কবে তিনি সানি লিওনের শরীরের এক তৃতীয়াংশ কাপড় দাবী করে বসেন!
তার সম্ভাব্য দাবীর মাঝে থাকতে পারে,
"আমার খাবারের এক তৃতীয়াংশে মানব বর্জ্য দ্বারা বানানো হোক"
অথবা
"ভারতে জন্মানো বাঁশের ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য প্রতিটা বাঁশের এক তৃতীয়াংশ আমার উপর এপ্লাই করা হোক। গমন পথ আপনারাই বেছে নিন"
অথবা
"ভারতের এক তৃতীয়াংশ বাস কে ধর্ষনের অভয়ারন্য ঘোষনা করা হোক"
অথবা
"ভারতের ক্ষ্যাপা কুত্তা গুলো কে এক তৃতীয়াংশ নারী ভোগের সুযোগ করে দেয়া হোক"
অথবা
"ভারতের নায়িকাদের এক তৃতীয়াংশ কে পাক্কা পর্ণস্টার বানানো হোক"
অথবা
"আমার পৌরষত্বের এক তৃতীয়াংশ কেটে নেয়া হোক"
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল, সুব্রামানি নাম টা ৫অক্ষরের বাংলা গালি ****নী এর মত শোনায়।
রেপ কি বাদ সানি লিওন কা চিৎকার,
আব কি বাদ মোদি সরকার,
সুব্রামানি কি হোক বলৎকার।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তরঃ পর্ব-১০ (রম্য)

প্রশ্ন: আপনার যদি পাখা থাকতো তবে কোথায় উড়তে চাইতেন?

উত্তর: ভুলেও ওড়ার চেষ্টা করবো না। আমি তো ইকারুস আর দাইদালুসের মত গাধা না যে পাখা থাকলেই
উড়ার ট্রাই করবো :-P শেষে অকালে প্রান টা না যায় :-P

প্রশ্ন: আর ইউ পম গানা?

উত্তর: নু নেবার্। আই এম পম ম্যান সিস্টার্। ইউ গু ম্যানসিস্টার?

প্রশ্ন: মেয়ে দেখলে হুশ থাকে না

উত্তর: হায় হায় এটা আপনি কি বলেন!? :-o আপনার তো জটিল সমস্যা। মেয়ে দেখলে যদি হুশ না থাকে আই
মিন বেহুশ হয়ে যান তাহলে আপনার আব্বু আম্মু কিভাবে দাদা দাদি হবে? দ্রুত ডাক্তার দেখান ভাই

প্রশ্ন: আপনি কি পাগল?

উত্তর: রিসেন্টলি পাবনা থেকে কিছু রোগী পালিয়ে এসেছে। তারা পথে যাকেই পায় তাকেই
জিজ্ঞেস করে "আপনি কি পাগল?" কিন্তু এভাবে পথে ঘাটে জিজ্ঞেস করায় তারা মার খাচ্ছিল।
তাই আস্কে এসে এনোনিমাসলি জিজ্ঞেস করছে। ফিরে যাও বাবু তোমার আস্তানায়।

প্রশ্ন:  জিবনে কতগুলো ক্রাস খেয়েছেন? ?

উত্তর: m সংখ্যক ক্রাশ খেয়েছি। [m<0 অথবা m=0]

প্রশ্ন: জেলহাজতে কয়দিন ছিলেন?

উত্তর: আপনাকে যতদিন জেলহাজতে পেটাচ্ছিলাম ঠিক ততদিনই ছিলাম। চুরি চামারী ছাইড়া দেন

প্রশ্ন: ভাই..মাইয়া পটানোর সব থিকা সহজ বুদ্ধি কি..?

উত্তর: বাজার থেকে একটা ফীডার কিনে তা মুখে দিয়ে কোনো মেয়ের সামনে চলে যান। গিয়ে বলুন
"আমি কত্ত কিউত বাবু না বলো? কিন্তু আম্মু খালি আমাকে মালে :'( আমাল এক্তুও ভাল লাগেনা।
পিলিজ আমাল সাতে প্লেম কলো" মাইয়া পটবে মাস্ট।  এর চাইতে সহজ বুদ্ধি দিবার পারুম নাহ।
আল্লাহ প্রশ্ন দেইখা কান্তে মুঞ্চাইতাছে। মনে হয় আমি ডেইলি দুই চাইরটা মাইয়া পটাই

প্রশ্ন: আপনার ফলোয়ার কত?

উত্তর: আমার অনেক ফলোয়ার্। রাস্তা দিয়ে যখন হাটি তখন আমার পেছনে অনেকেই থাকে।
শপিং মলে গেলেও পেছনে অনেকে থাকে। সিনেমা হলে গেলেও পেছনে অনেকে থাকে।
ক্লাস করার সময়ও আমার পেছনে অনেকে বসে থাকে। যেখানেই যাই না কেন আমার অনেক ফলোয়ার
থাকে

প্রশ্ন: ভুট দিতে পারলে কাইল কারে ভুট দিতেন? হাচা করি কন তো..

উত্তর: ভুট কি? চুম্মা টাইপের কিছু নাকি? তাইলে মেহজাবিন  ইজ মাই ফার্স্ট চয়েজ :-P

প্রশ্ন: আপনি এত্তো ফেমাস কেন ভাই?

উত্তর: আসলে আমি "ফেসবুক মারপিট সংস্থা=ফেমাস" এর  চেয়ারম্যান ছিলাম। তাই শর্টকাটে আমাকে সবাই ফেমাস
চেয়ারম্যান বলেই জানে। বুঝতেই পারছেন আমি কেন ফেমাস
[চাপাবাজির একটা লিমিট আছে >_< এটম খাইয়াও এতবড় চাপা মারা যায় না ]

 
Tricks and Tips