অগ্নি (মুভি রিভিউ)

যেহেতু ভ্যালেন্টাইনস ডে, তাই শঙ্কা ছিল সিনেমা হলে অধিকাংশই জোড়ায় জোড়ায় থাকবে । তাই বন্ধুকে বোরকা পরিয়ে হলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। বন্ধুকে এই..

এরশাদোলজি (রম্য)

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, নারীদরদীয়া প্রেমিক পুরুষ আলহাজ হোমিওপ্যাথিক এরশাদ ওরফে পল্টিবাদি লাফাইন্যায়ে ডিগবাজীকে নিয়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আজকের আলোচনা অজ্ঞানে বিজ্ঞানে সজ্ঞানী এরশাদ।

ফেসবুকে প্র্তারনার হাত থেকে সতর্কতা

আপনার অনেক পরিচিত কারো ফেইক আইডি খুলে আপনাকে হয়ত ফাদে ফেলানো হবে, আপনার গার্লফ্রেন্ড, আপনার বন্ধু সেজে আপনাকে ফাদে ফেলানো হবে। আর লুল বালক হলে তো কথায়ই নেই, মিষ্টি কথাতেই আপনার ঘুম হারাম করে দেবে।

ইশি (ছোটগল্প)

বিল্ডিং গুলোর ছুটে চলা খুব উপভোগ করছে ইশি। কিন্তু একটু পরেই বিল্ডিং গুলো দৌড় থামিয়ে দিল। এই জ্যাম একদম ভাললাগেনা ইশির। সবকিছু কে থামিয়ে দেয়। তবে পথের নোংড়া ছেলেমেয়ে গুলো জ্যাম কে খুব ভালবাসে।

আজব প্রশ্নের গজব উত্তর

প্রশ্নঃ দেশে জনসংখ্যা কমানোর জন্য কি কি করা যায়? উত্তরঃ বিবাহ করা থেকে নারী পুরুষ কে বিরত থাকার জন্য উদবুদ্ধ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর বিছানা আলাদা করা যায়। বিছানা এক হলেই মহামারী দেখা দেবে এমন আতঙ্ক ছড়ানো যায়

শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৪

প্রশ্ন ফাঁসের হৈমন্তী ভার্সন (রম্য)

পরীক্ষার্থী সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁসকারী সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন মেয়েটির পরীক্ষার সময় ঘনিয়া আসিতেছে, কিন্তু আর কিছুক্ষণ গেলে সেটাকে আলসেমী বা অবহেলা কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। পরীক্ষার সময় অবৈধ রকমে ঘনিয়া আসিতেছে বটে, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁসের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেইজন্যই তাড়া।

আমি ছিলাম প্রশ্ন। সুতরাং, প্রশ্ন ফাঁস সম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিল। আমার কাজ আমি করিয়াছি, কম্পোজ হওয়ার পর প্রিন্ট হইয়াছি। তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ, পরীক্ষার্থীপক্ষ ও ফাঁসকারীপক্ষ, ঘন ঘন বিচলিত হইয়া উঠিল।

আমাদের দেশে যে একবার ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পাইয়াছে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন সম্বন্ধে তাহার মনে আর কোনো উদবেগ থাকে না। #নরমাংসের স্বাদ পাইলে মানুষের সম্বন্ধে বাঘের যে দশা হয়, প্রশ্ন সম্বন্ধে তাহার ভাবটা সেইরূপ হইয়া উঠে। অবস্থা যেমনি ও সময় যতই কম থাকুক, প্রশ্নের অভাব ঘটিবামাত্র তাহা পূরণ করিয়া লইতে তাহার কোনো দ্বিধা থাকেনা। যত দ্বিধা ও দুশ্চিন্তা সে দেখি আমাদের মত প্রশ্নদের। প্রশ্ন ফাঁসের পৌন:পুনিক #প্রস্তাবে পরীক্ষার্থীদের ফ্যাকাসে চুল এবং ফাঁসকারীদের ফ্যাকাসে, আধাপাকা, ফুলপাকা অথবা টেকো মাথা কলমের কালি প্রশ্নের কালি জুতার কালির আশীর্বাদে পুন:পুন: আলকাতরা কালো হইয়া যায়, আর বারংবার প্রশ্ন ফাঁসের আঁচেই ভাবনায় একরাত্রে পরীক্ষা স্থগিতের উপক্রম হয়।

বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৪

প্রশ্ন ফাঁস থিম সং (রম্য)

তিন ঘন্টার এক্সাম,
সিক্সটিন সিক্সটিন,
প্রশ্ন সব হবে ফাঁস ,
হাউ এক্সাইটিং।
কোয়েশ্চান ইজ ওয়েটিং ,
নো নো  টেনশন,
ধিন চিতা ধিন ধিন,
ধিন ধিন, ধিন ধিন ।
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?
ওহ মাম্মা ,
নো রিডিং নো রিডিং,
হাত বাড়ালেই,
প্রশ্ন ওয়েটিং প্রশ্ন ওয়েটিং।
দালাল আর শাউটিং,
বোম্বাস্টিং রকিং ,
পোলাপান চিয়ারিং,
এভ্রিবডি #হিয়ারিং,
প্রশ্ন ফাঁসে,
জমবে লড়াই,
খুশির সীমা নাই,
ভুয়া না আসল সেট ,
সবাই করবে কালেক্ট,
যে যার মত ভাই।
নাই নাই, প্রশ্ন যে নাই ,
যাই যাই, বেরিয়ে যাই,
চলো সবাই,
একই সাথে প্রশ্ন খুজে #বেড়াই।
ধিন চিতা ধিন ধিন,
ধিন ধিন, ধিন ধিন ।
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?।
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?
ক খ সেটে রেশারেশি,
সবই হবে বেশি বেশি,
বন্ধু শত্রু রাগারাগি,
সব প্রশ্ন  ভাগাভাগি।
এমনই সব প্রশ্নের সেট,
কেউ দেখেনি আগে,
অবাকচোখে দেখরে প্রশ্ন,
কোন সেট টা যায় লেগে।
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?
চারিদিকে হই হই ,
প্রশ্ন পাওয়া যাবে কই?

বুধবার, ৫ মার্চ, ২০১৪

আগুন নিভাইলাম না জ্বালাইলাম?


আগুন নিভাইলাম না জ্বালাইলাম?
১| পাশের বাসায় আজ গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ধরেছিলো। আমি গিয়ে দেখি দাউ দাউ করে জ্বলছে অথচ কেউ টের পায়নি। কিছুতেই নেভাতে পারছিলাম না।
পরে কাথা ভিজিয়ে চাপা দিলাম। ভাগ্যিস বার্স্ট হয়নি। কিন্তু সমস্যা হলো ওই বাসার মেয়েটার সাথে আচমকা ধাক্কা লাগে। এই মেয়েগুলো সব ধাক্কা কেই রোমান্টিক মনে করে

২|
মেয়ের মায়ের চেহারা আর ড্রেসআপ দেখে সবসময়ই মনে হয়েছে উনি আমার
সামান্যই সিনিয়র হবেন। গতকাল তাদের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ধরে যাওয়া আগুন নিভিয়ে দিয়ে মনে মনে নিজেকে হিরো ভেবেছিলাম। তড়িঘড়ি করতে গিয়ে মেয়ের সাথে ধাক্কা খেয়েছিলাম নি:সন্দেহে এখানে আমি নিরপরাধী। কিন্তু আজ দুদিন মা মেয়ের পালাক্রমে হাসি দেখে যারপরনাই খুশিত লজ্জিত। অবশেষে একটা সমাধানে পৌছালাম। মেয়ের মা কে আপু ডাকাই বেটার

আর কত পতাকার অপমান করবি?



১৯৭১ সালের ২ রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের মানচিত্র
খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আমরা কি এই দিন টার মর্যাদা দিচ্ছি?
-আরে ভাই মর্যাদা দিচ্ছি না মানে!!? মিরপুর স্টেডিয়ামে দেখেন কত্ত পতাকা।
কত্ত সুন্দর সুন্দর পতাকা। 
হায়রে বাঙালী, এই বাংলার বুকে থেকে তার পতাকার আর কত অপমান করবি? ক্যান ভাই ভারত পাকিস্তানের জন্য এত দরদ ক্যান? বুঝলি নারে এই লাল
সবুজ পতাকার মূল্য কত। কিছু মানুষ ভারত পাকিস্তানে জন্ম নেয়ার বদলে ভুল করে এদেশে জন্ম নিয়ে ফেলেছে। নিজের জন্ম পরিচয় নিয়ে সন্দিহান থাকলে যাকে তাকে বাপ বলতেই পারে। কি দরকার সবচেয়ে বড় # মানব
পতাকা বানিয়ে গিনেজ বুকে নাম লিখে? যেখানে আমরা নিজেরাই সম্মান
টা কে পদদলিত করি। যারা আজ ভারত পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে লাফাচ্ছো এই পতাকাই যেন তোমাদের কাফন হয

বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

অনন্ত জলিল যখন ঔপন্যাসিক (রম্য)

অনন্ত জলিল এবার বই লিখেছেন। উপন্যাস টির নাম নি:স্বার্থ ভালোবাসা। এটা নিয়ে বিভিন্ন মানুষ কি রকম মন্তব্য করতে পারেন দেখা যাক

১|রম্য লেখকরা এবার অবসর
নিতে পারেন !

২| অনন্ত জলিল
তো দেখি বহুমুখি প্রতিভার
অধিকারী!!!!!

৩| হু ! এবার মনে হয় ঔপন্যাসিকদের দিন
শেষ হয়ে এল ।

৪| মুল
কথা হচ্ছে উচ্চারনটা কে লিখেছেন
?
যদি জলিলের উচ্চারনেই উপন্যাস
লিখা হয় তা হলে সেটি আর
পড়তে হবে না, এটির নাম
হবে "রসআলো"।

৫|কবে না উনি আবার রকেট বানান !!!

৬|জলিল তো অনেক কারিশমা জানে।
ঔপন্যাসিকদের ভাত উঠিয়ে দিচ্ছে ।

৭| মিঃ অনন্ত জলিল,
আপনাকে চিনতে আমাদের অনেক
দেরি হয়ে গেছে। আপনি যে এত
গুণের সাগর
আমরা তা আগে বুঝতে পারিনি।
আপনার এই গুণের
অথৈ সাগরে আমাদেরকে ভাসিয়ে
দেওয়ার  জন্যে, আপনাকে আমার
এবং আমাদের পক্ষ
থেকে একটি গাঁধা ফুলের অন্তিম
শুভেচ্ছা।

৮|ছেলেটা এখনো উপযুক্ত
কোনো অভিভাবক পায়নি ।

৯| নতুন রবীন্দ্র জলিল

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

হৃদয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম


অতীতেও আমরা খারাপ সিরিজ খেলার পর ভালো সিরিজ খেলেছিএকটা এলোমেলো ঝঞ্ঝাটপূর্ণ সিরিজ গেলোসামনে কিছু গোছালো জয় আশা করতে পারি যে যাই বলুক, যত মন খারাপই করুকযতই বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম
কে গালি দিক না কেন, মনের গভীরে বাংলাদেশ টিমের জন্য যে ভালোবাসা টা তৈরি হয়েছে তা এত সহজে মোছার নয় কোনোদিন মুছবে নাআপনার সাথে চ্যালেঞ্জ থাকলো পারলে বিডি টিম কে ঘৃনা করুনজানি পারবেন না কোনোদিন পারবেন নাপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই ভালোবাসাটা বাড়তে থাকবেএই ভালোবাসা টা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশিভালোবাসা যদি ফেরত নেয়া যেত তবুও বিডি টিম থেকে কেউ তা ফেরত নিতে পারতো না আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীর অন্য কোনো ক্রিকেট টিম কে তাদের টিম কে যতটা ভালোবাসে আমরা তার চেয়ে শতগুন বেশি ভালোবাসি আমাদের ভালোবাসাই আমাদের টিম কে এতদূর এনেছেএই ভালোবাসা পেয়েই ছেলেরা এশিয়া কাপ জিতবে
আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম কে কেন ভালোবাসি এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে চাইবো নাআমি কোনোদিন বুঝতে চাইবো না একটা পরাজয়ের পর কেন জয়ের আশা করিআপনি কখনোই বুঝতে চাইবেন না একটা জয়ের পর কেন
আপনাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হয়আমাদের প্রথম পরিচয়
আমরা #বাংলাদেশিআমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এবং আমাদের
ক্রিকেট টিম কে ভালোবাসিসব পরিচয় মুছে গেলেও আমাদের প্রথম পরিচয়
টা মুছবে না যে শিশু জন্ম নেবে আগামীতে, তার হৃদয়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম থাকবে গেঁথে

 
Tricks and Tips